বাবার খনন করা খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী

যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যা সমাধানে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ দশক আগে জিয়াউর রহমানের যেখান থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, ঠিক সেখানেই খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন ছেলে তারেক রহমান।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের তিনটি স্থানে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী খালপাড়ে ফলক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহেদ আলম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উলাশী খাল খননের মাধ্যমে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, কৃষিজমি জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে এবং স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শার্শা উপজেলার দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে।

এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে যশোর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, সংসদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

সরকার গঠনের পর এটিই তার প্রথম যশোর সফর। খাল খনন কর্মসূচি, যশোর মেডিক্যাল কলেজের ৫০০ শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন শেষে ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় যশোর বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত।