কূটনৈতিক বার্তার পরও দিল্লির বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে বাধা, ক্ষোভে ফিরলেন দেশে

১১২

নিজস্ব প্রতিবেদক: কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে আগাম অবহিত করার পরও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ‘রহস্যজনক’ আচরণের শিকার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রেখে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ মহলের নির্দেশে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্ষোভ ও অভিমান থেকে দিল্লিতে প্রবেশ না করে কলম্বো হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার (১৫ জুন) থেকে দিল্লিতে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনব্যাপী বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল জাহেদ উর রহমানের। এই লক্ষ্যে গত শুক্রবারই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কূটনৈতিক পত্র বা নোট ভার্বালের মাধ্যমে তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ডিপ্লোম্যাটিক প্রটোকল থাকার পরও রোববার সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখে। তবে কী কারণে তাকে এই হেনস্তার শিকার হতে হলো, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের ইমিগ্রেশন স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে সেখানে আর অবস্থান না করে তাৎক্ষণিক দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। রোববার রাতেই তিনি দিল্লি থেকে শ্রীলঙ্কার কলম্বোর উদ্দেশ্যে রওনা হন। আজ সোমবার দুপুরের আগেই তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে বাংলাদেশের একজন শীর্ষ উপদেষ্টাকে বিমানবন্দরে এভাবে আটকে রাখার পেছনে ভারতের ইমিগ্রেশনের কী ‘রহস্য’ ছিল, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।