গাজায় নিহত আরও ৮৪, খাবার সঙ্কট চরমে

Img 20241102 131521
২২

ক্ষুধা ও শত্রুর সাথে যুদ্ধ একই সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা। ইসরায়েলের বিমান হামলা থেকে গাজায় ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ক্ষুধার। খাবারের সঙ্কটে স্থানীয়দের যায়-যায় অবস্থা।

শনিবার (২ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

গাজায় জাতিসংঘের ইউএনআরডব্লিউএ-এর সিনিয়র কর্মকর্তা লুইস ওয়াটারিজ জানান, মানুষ ক্ষুধায় কাতরাচ্ছে। মধ্য গাজার নুসিরাত শরণার্থী শিবিরে হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে দিন পার করছেন। যেটুকু খাবার পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর জন্য মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। কেউ খাবার পাচ্ছেন, কেউ না পেয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে অপেক্ষা করছেন, কখন খাবার আসবে।

পরিস্থিতি ভয়াবহতা তুলে ধরতে তিনি বলেন, একটি আটার বস্তা নিয়ে লড়াই করছে ৩০ থেকে ৪০ জন ফিলিস্তিনি। এভাবে চলতে থাকলে সবাই না খেয়ে মারা যাবেন।

এদিকে, ইসরায়েলের হামলায় গাজার উত্তরাঞ্চলের দু’টি বহুতল ভবন ধ্বসে গেছে। এতে ৫০ শিশুসহ কমপক্ষে ৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবাসিক ভবন দু’টিতে ১৭০ জন ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন। কোনো সতর্কতা ছাড়াই ভবনগুলোতে হামলা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এই ঘটনাকে নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ আখ্যা দিয়ে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেন, ওই এলাকাটিকে অবরুদ্ধ করে এখনও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। ফলে উদ্ধারকর্মীরা যেতে পারছে না। পাশাপাশি প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না ত্রাণ ও স্বাস্থ্য সহায়তাও।

নিহতদের মধ্যে একজন প্যারামেডিক এবং দুইজন স্থানীয় সাংবাদিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েল জানুয়ারিতে বলেছিল উত্তর গাজায় তারা হামাসের কমান্ড কাঠামো ভেঙে দিয়েছে। অথচ এই উত্তর গাজা এখনও ইসরায়েলের হামলার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।