রাতে বাসায় ঢুকে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ আটক ৫

২০

নাটোরে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। রাতে বাসায় ঢুকে কয়েক যুবক তাকে ধর্ষণ করে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটকদের মধ্যে তিনজন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত, বাকি দুইজন তাদের সহযোগী। মঙ্গলবার রাতে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাড়ে চার ঘণ্টার অভিযানে সদর উপজেলার তেলকুপি নুরানীপাড়া এলাকা থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আটকৃতরা হল, শহরের কানাইখালী এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রনি মিয়া, একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে রকি এবং আব্দুল মজিদের ছেলে সোহান। এছাড়া ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মৃদুল হোসেন এবং তার স্ত্রী মিথিলা পারভীনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর বিনোদপুর থেকে দোকান কর্মচারী এক তরুণ তার প্রেমিকাকে নিয়ে নাটোর আসেন। স্থানীয় এক বন্ধু তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাফরাস্তা এলাকায় মৃদুল ও মিথিলা দম্পতির বাসায় নিয়ে যান। কিন্তু এই দম্পতি রনি, রকি ও সোহানকে সেখানে ডেকে নেন। পরে রাতে ওই তিন যুবক মৃদুল-মিথিলার বাসায় ঢুকে রাজশাহী থেকে যাওয়া মেয়েটির গলায় চাকু ধরে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং সেটির ভিডিও ধারণ করে। এরপর আবার ওই তরুণ-তরুণীর কাছে টাকা দাবি করে তিন যুবক। টাকা না দিলে সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

পরে তরুণ-তরুণী সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে রাত প্রায় ১১টার দিকে নাটোর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।

রাতেই মিথিলা ও মৃদুল দম্পতিকে হাফরাস্থা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে বুধবার ভোরে তেলকুপি নুরানীপাড়া থেকে রনি, রকি ও সোহানকে আটক করা হয়।

নাটোর সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দীন বলেন, আমরা তরুণীর অভিযোগ পাওয়ার পরপরই রাত প্রায় ১টার দিকে অভিযানে নামি। অভিযুক্তদের অবস্থান জানতে পেরে তেলকুপি এলাকায় অভিযান চালানো হয়।