ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী বৃষ্টির লাশ শনাক্ত

৩৫

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ।

শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বৃষ্টির ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত পাঠাতে পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে মরদেহ পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে।

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন—দুজনই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল থেকে তারা নিখোঁজ ছিলেন। প্রায় ১০ দিন পর, ২৪ এপ্রিল টাম্পা বে এলাকায় হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

২৬ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি আদালতে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, লিমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়। হিশাম আবুঘরবেহ’র বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই দিন, ২৬ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কাছাকাছি এলাকা থেকে আরও একটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা তখনই ধারণা করেন, এটি নিখোঁজ বৃষ্টির হতে পারে।

ফৌজদারি মামলার হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের দক্ষিণ দিক থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটির পোশাকের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে বৃষ্টিকে শেষবার দেখা যাওয়ার সময়ের পোশাকের হুবহু মিল রয়েছে।

এদিকে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ শনিবার (২ মে) অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হবে। সোমবার (৪ মে) দুবাই হয়ে মরদেহটি ঢাকায় পৌঁছাবে।