ফ্রান্সে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে, গ্রেপ্তার ৯১৭

১৩৩

পুলিশের গুলিতে এক কিশোরের নিহতের ঘটনায় চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিযন্ত্রণে ৪৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (১ জুলাই) বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ‌্য জানানো হয়েছে।

তবে দাঙ্গা স্তিমিত হয়ে আসছে বলে দাবি করেছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন। শুক্রবার রাতে প্যারিসের পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকা ইভেলাইনস পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এমন দাবি করেন।

তবে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, প্যারিস ছাড়াও বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

গত মঙ্গলবার ট্রাফিক পুলিশের গুলিতে নিহত হয় উত্তর আফ্রিকার বংশোদ্ভূত ১৭ বছরের কিশোর নেহাল এম। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত থেকেই প্যারিস ও অন্য আরও কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ও সহিংসতা শুরু হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিক্ষোভ ঠেকাতে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ৪০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে প্যারিসে রয়েছে ৫ হাজার। বিক্ষোভ দমাতে স্থানীয় সময় রাত ৯টা থেকে বাস এবং ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এদিকে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে ফ্রান্সের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করেছে। আগামী ৩ জুলাই পর্যন্ত প্যারিসের ইলে-ডে শহরে কারফিউ জারি থাকবে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার নানতেরে শহরে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে নাহেলের চলন্ত গাড়ি থামাতে পুলিশ গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় সে। এ বছর ফ্রান্সে ট্রাফিক স্টপে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর এটা দ্বিতীয় ঘটনা। গত বছর ফ্রান্সে এভাবে রেকর্ডসংখ্যক মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়।