গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২

৩১
কাপাসিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন দুপুরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন ৩০, তাদের বড় মেয়ে মীম ১৫, মেজো মেয়ে মারিয়া ৮, ছোট মেয়ে ফারিহা ২ এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া ১৮। ফোরকান পলাতক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন সন্তানের গলা কাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুলের মরদেহ ছিল বিছানার ওপর। আর হাত-মুখ বাঁধা শারমিনের নিথর দেহ জানালার পাশে পাওয়া যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মনির হোসেনের বাড়িটি ভাড়া নেন ফোরকান। পরিবার নিয়ে সেখানেই থাকতেন। প্রতিবেশীরা জানান, ফোরকান ও শারমিনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারটিকে স্বাভাবিক দেখা গিয়েছিল। সকালে পাঁচজনের মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

কাপাসিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান নিজেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে।

গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজন ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।