জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানস্থলের পাশে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ স্লোগান

২৫

জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানস্থলের পাশে এক দল লোককে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের বাইরে খামারবাড়িতে এ স্লোগান দেওয়া হয়।

বিবিসি বাংলা জানায়, জাতীয় সংসদ ভবনের বাইরে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে যারা অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছিল, পুলিশের ধাওয়ায় তারা সেখান থেকে সরে খামারবাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সেই একই জায়গায় অবস্থান নেয় ‘বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী’ ব্যানারে আরেকটি দল। এ সময় তারা ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ দাবিতে তাদের ক্রমাগত স্লোগান দিতে থাকে।

এ ছাড়া অনেকের হাতে প্ল্যাকার্ডও দেখা গেছে। একই রকমের নীল টিশার্ট তাদের গায়ে ছিল। তারা কুমিল্লা বা চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ নয়, বরং নোয়াখালী বিভাগের দাবি তোলেন।

এদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় সংসদ ভবন এলাকায়। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং জুলাই আহত বীর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানসহ ৩ দফা দাবিতে সকাল থেকে অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেন তারা। 

এরপর দুপুরের দিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জুলাই সনদে তাদের স্বীকৃতি থাকবে জানিয়ে তাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থানে অটল থাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের সরিয়ে দিলে চাইলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পরে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই ওই এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংগীত বাজানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।  এরপর বিকেল ৫টায় বহুল কাঙ্ক্ষিত ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষরিত হয়েছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা জুলাই জাতীয় সনদে সই করেন।