শেষ মুহূর্তের গোলে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ব্রাজিল। প্রায় এক ঘণ্টা পিছিয়ে থাকার পর সমতায় ফেরে তারা। ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল সেলেসাওরা।

হিউস্টনে ম্যাচের ২৯ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। হাইড্রেশন ব্রেকের পর মাঝমাঠে দানিলোর লুজ বল পেয়ে কাসেমিরোকে গতিতে হারান সানো। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে পোস্টের বাম কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

অথচ প্রথম ২৫ মিনিটে ব্রাজিলই আধিপত্য দেখায়। প্রায় ৭৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চারটি শট নিলেও গোল পায়নি। ৩ মিনিটে গিমারায়েসের শট ব্লক হয়। ১০ মিনিটে দানিলোর ক্রস থেকে সুযোগ নষ্ট হয়। ১৪ মিনিটে কুনহার শট কর্নার করে দেন সুজুকি। পাকেতার ফ্রি কিকে মারকুইনহোসের হেড, ভিনিসিয়ুস ও কুনহার শটও ঠেকিয়ে দেন জাপান কিপার।

বিরতির পর পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে নামায় ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়ায় তারা। ৫২ মিনিটে গিমারায়েসের হেড দুর্দান্ত সেভ করেন সুজুকি। ৫৫ মিনিটে কাসেমিরোর হেড গোললাইন থেকে ফেরান তোমিয়াসু। এক মিনিট পরই সেই কাসেমিরোই সমতা ফেরান।

এরপর ভিনিসিয়ুস একাধিকবার জাপান রক্ষণ ভেঙে ঢুকলেও ফিনিশিং হয়নি। ৫৯ মিনিটে তাঁর শট পোস্টে লেগে ফেরে। ৭৫ মিনিটে এন্দ্রিকের পাস থেকে বক্সে ঢুকে সুযোগ নষ্ট করেন ভিনি। ৭৮ মিনিটে গ্যাব্রিয়েলের ক্রসে রায়ানের হেড সুজুকির গায়ে লেগে কর্নার হয়।

ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়াচ্ছিল, তখনই আসে জয়সূচক গোল। ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে বক্সের সামনে তানাকা বল হারালে গিমারায়েস থ্রু পাস দেন মার্তিনেল্লিকে। বাম পা থেকে ডান পায়ে নিয়ে নিখুঁত শটে সুজুকিকে পরাস্ত করেন তিনি। বল পোস্টে লেগে জালে জড়ায়।

এই জয়ে শেষ ৩২-এর বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে উঠল ব্রাজিল।