ঋণ খেলাপ: আসলাম চৌধুরীর এমপি হওয়া আটকে দিল আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপের অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি শপথ নিতে পারবেন না এবং আসনটির ফলও প্রকাশ হবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। গত ১৫ জুন শুনানি শেষে আজ রায়ের দিন ধার্য ছিল।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। ব্যাংক এশিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামাল উল আলম।

এর আগে গত ২০ জুন আপিল বিভাগ এ মামলায় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগীকে নিয়োগ দেন।

গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আসলামের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী ও ব্যাংক এশিয়া ইসিতে আপিল করে। ১৮ জানুয়ারি ইসি আপিল খারিজ করলে প্রার্থিতা বহাল থাকে।

পরে হাইকোর্টও ২৭ জানুয়ারি ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। হাইকোর্টের আদেশে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করেন।

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে জিতলেও ফল প্রকাশ স্থগিত ছিল।

জামায়াত প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীর লিভ টু আপিল ৩ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর করে আপিল বিভাগ আদেশ দেন—আসলাম চৌধুরী জিতলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।

এরপর ৩১ মার্চ জামায়াত প্রার্থী পৃথক আপিল করেন। ২৮ এপ্রিল চেম্বার জজ বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান। কয়েক দফা শুনানির পর আজ চূড়ান্ত রায় এলো।