আমাদের কাছ থেকে যা পেয়েছেন তার এক ইঞ্চিও কম নেবেন না: প্রেস সচিব

৪০

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীতে যিনি আসবেন, প্রেস সেক্রেটারি বা প্রেস উইংয়ে, যারা আসবেন আপনারা আমাদের কাছ থেকে যা পেয়েছেন তার এক ইঞ্চিও পরে কম নেবেন না। এটা যেন ধারাটা বজায় থাকে। প্রজাতন্ত্র কি কাজ করছে, প্রজাতন্ত্রের সরকার প্রধান কি কাজ করছে, এটার সর্বোচ্চ জানার অধিকার সবার। আপনার আমার সবার আপনার দায়িত্ব হচ্ছে এই নিউজটাকে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়া। আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে আপনার কাছে সবসময় এসে এই নিউজটা দেওয়া।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে উপদেষ্টা বৈঠকে অনেকগুলো অ্যাজেন্ডা ছিল। একটি হচ্ছে, বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো নীতিমালা-২০২৬ এর খসড়া অনুমোদন এবং জাতীয় মৎস্য নীতিমালা ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন হয়েছে। ইমপ্লিমেন্টিং অ্যাগ্রিমেন্ট বিটুইন কাতার আর্ম ফোর্সেস অ্যান্ড বাংলাদেশ আর্ম ফোর্সেস কনসার্নিং ডেপুটেশন উইথইন (সেকনমেন্ট অব অফিসারস মিলিটারি পার্সোনা অ্যান্ড সিভিলিয়ান্স) এটার অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপন সংক্রান্ত কমিটির দাখিলক করা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বেজার সুপারিশ করা অংশের নীতিগত অনুমোদন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো একটি গতিশীল যোগ্যতা পথরেখা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো। প্রস্তাবিত নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার সব ধারায় সাধারণ কারিগরি মাদ্রাসা শিক্ষা সর্বস্তরের মধ্যে যোগ্যতা সুস্পষ্ট সংজ্ঞায়ন নিশ্চিত করা, বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার শুরু ও সমাপ্তি এবং এক ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে আরেকটিতে স্থানান্তর একটি সুস্পষ্ট সুনির্দিষ্ট পথরেখা তৈরি করা, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের গতিধারা নির্ধারণ করার লক্ষ্যে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় মৎস্য নীতিমালা-২০২৬ খসড়া নীতিমালা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে জাতীয় মৎস্য নীতি নেওয়া হয়েছিল। এটাকে রহিত করে এই নতুন জাতীয় মৎস্য নীতিমালা ২০২৬ এর প্রণয়ন করা হয়েছে। এটার মূল হচ্ছে, প্রস্তাবিত খসড়া জাতীয় মৎস্য নীতিমালায় দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সুনীল অর্থনীতির বিকাশে টেকসই মৎস্য উৎপাদন সুনিশ্চিতকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।