একটি ভালো নির্বাচন নয়, টেকসই নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়তে চায় ইসি: সিইসি

শুধু একটি ভালো নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে করার টেকসই সংস্কৃতি গড়াই নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা ধরে রেখে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখতে কমিশন বদ্ধপরিকর। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন দেওয়া হবে।

চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট, প্রবাসী ও দায়িত্বরত কর্মীদের জন্য পোস্টাল ভোটিং এবং কারাবন্দীদের ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কমিশনের ওপর কোনো চাপ নেই।

নভেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও প্রার্থীদের পেছনে দলের সমর্থন থাকে, তাই সুষ্ঠু ভোটে রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা দরকার।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বডি ক্যামেরা থাকবে। আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন হবে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতি ধাপে ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউপিতে ভোট হতে পারে। ভোটার তালিকা হালনাগাদে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে।

মানুষের আস্থা ফেরানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিইসি বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ নির্বাচনের পর কমিশনের প্রতি আস্থা কমেছিল। তা ফেরাতে ৭৭ হাজার কর্মী দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১০ লাখ নারী ভোটার অন্তর্ভুক্ত ও ২১ লাখ মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

১০ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, ইউপির পর পৌরসভা নির্বাচন হবে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ হবে, তারাও ভোটার হতে পারবেন।