চবিতে শিক্ষকসহ ৩ জন বরখাস্ত

 

পৃথক ঘটনায় এক শিক্ষকসহ তিনজনকে বহিষ্কার করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে (পিলু) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া দর্শন ও ইতিহাস বিভাগের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ী ও আরেকজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। গত ৪ সেপ্টেম্বর ৫৬৮তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়।

শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত:
গত ৩ জুলাই ড. ওয়াহেদ তার ফেসবুকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে অশ্লীল ও কটাক্ষমূলক পোস্ট দেন বলে অভিযোগ ওঠে। স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। ১২ জুলাই উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) ড. মো. আল আমিনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেট তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং অধিকতর তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করে। উপাচার্য ড. আল ফোরকান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাননি।

দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার:
দর্শন ও ইতিহাস বিভাগের সংঘর্ষে দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. ওয়াসিমকে স্থায়ী এবং ইতিহাস বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের তাহসির হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

হাইকোর্টে শাস্তি পরিবর্তন:
সহকারী প্রক্টর ড. কোরবান আলীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আফসানা এনায়েত এমিকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিল করা হয়েছিল। তিনি আদালতে গেলে হাইকোর্ট সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে ৬ মাসের বহিষ্কার দেন। তিনি দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান। মামলা চলাকালীন সময়ে ওই ৬ মাসের মেয়াদ শেষ হওয়ায় শাস্তি বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।