পেসারদের দাপটে অলআউট অস্ট্রেলিয়া, ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা

ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসটা বাংলাদেশের পেসারদের দাপটের গল্প হয়ে থাকল। হাসান মাহমুদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের সঙ্গে তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেনের দুর্দান্ত সঙ্গ। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় সেশনে চার উইকেট হারানোর পর শেষ সেশনেও বাংলাদেশের পেসারদের সামনে টিকতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৫২তম ওভারে বড় উইকেটটি এনে দেন হাসান। তাঁকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন স্টিভেন স্মিথ। ব্যাক্তিগত ২ রানের সময় তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচ ড্রপে ৭১ রানে করতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ এই ব্যাটাসম্যান। এই উইকেট নিয়েই টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের আরেকটি পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়েন হাসান।

শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বাকি চার উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন তাসকিন ও ইবাদত; দুজনের শিকার দুটি করে।

লাঞ্চের আগে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় সেশনে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারির ৫৫ রানের জুটিতে সেই সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ইবাদতের বলে ক্যারি বোল্ড হওয়ার পর আবারও ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা। এরপর ওয়েবস্টারকে ফেরান তাসকিন। কামিন্স ও স্টার্ককে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লেজও দ্রুত গুটিয়ে দেন হাসান।

তিন পেসারের সম্মিলিত আক্রমণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানে।

এই ইনিংসেই নতুন একটি মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশের পেস বোলিং। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিপক্ষের এক ইনিংসের ১০ উইকেটই নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষেও একই কীর্তি গড়েছিল টাইগার পেসাররা।

অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শুরু হয়েছে। এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত,  ৮ ওভারে বিনা উইকেটে ৩৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। শুরুতেই জীবন পেয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, নাথান লায়নের বলে পয়েন্টে তাঁর ক্যাচ নিতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডার। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটাও হয়েছে স্বস্তি নিয়ে।