২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই জয় পেল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করল স্কটল্যান্ড। হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ইউরোপের দলটি। একমাত্র গোলটি করেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমান লড়াই করলেও এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। দেশের জার্সিতে ম্যাকগিনের এটি ২১তম গোল। তবে গুরুত্বের দিক থেকে এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় গোল।

গোল খাওয়ার পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে হাইতি। ডান দিক দিয়ে লুইসিয়াস ডিডসনের গতিময় আক্রমণে কয়েকবার চাপে পড়ে স্কটিশ রক্ষণ। ৩৪ মিনিটে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের ভুলে প্রায় সমতায় ফিরছিল হাইতি, কিন্তু জ্যাক হেন্ড্রি বিপদমুক্ত করেন।

৪২ মিনিটে জ্যাঁ-রিকনার বেলগার্দে রক্ষণ চিরে শট নিলেও তা বাইরে যায়। এর আগে উইলসন ইসিদরের হেডও লক্ষ্যে থাকেনি।

স্কটল্যান্ডও সুযোগ পেয়েছিল। বেন গ্যানন-ডোক বেশ কয়েকবার ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে ঢুকলেও শেষ পাস দিতে পারেননি। চে অ্যাডামসের একটি আক্রমণ অফসাইডে বাতিল হয়।

প্রথমার্ধে একমাত্র হলুদ কার্ড দেখেন হাইতির বেলগার্দে। লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ডকে দেরিতে ট্যাকল করায় তাকে সতর্ক করেন রেফারি।

বিরতির পর আক্রমণাত্মক শুরু করে হাইতি। দ্বিতীয়ার্ধের ৩০ সেকেন্ডেই হলুদ কার্ড দেখেন স্কটিশ ডিফেন্ডার অ্যারন হিকি। শুরুর দিকে স্কটল্যান্ড কিছু আক্রমণ করলেও ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় হাইতি। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে স্কটিশ রক্ষণকে।

শেষ দিকে নাটকীয়তা বাড়ে। ৮৪ মিনিটে বেলগার্দের ক্রসে পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাইরে গেলে বেঁচে যায় স্কটল্যান্ড। ৮৬ মিনিটে স্কট ম্যাকটমিনের আক্রমণ রুখে দেন হাইতির ডিফেন্ডার হ্যানেস ডেলক্রোয়া।

শেষ পর্যন্ত ম্যাকগিনের প্রথমার্ধের গোলেই জয় নিশ্চিত হয়। ১৯৯০ সালের ১৬ জুন সুইডেনকে হারানোর পর এই প্রথম বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতল স্কটল্যান্ড। এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে উঠেছে স্টিভ ক্লার্কের দল।