পূর্বাচলে ‘মাল্টিপারপাস স্পোর্টস হাব’

পূর্বাচলে শুরুতে কেবল ক্রিকেটকেন্দ্রিক সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা ছিল। তবে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসে একটি স্পোর্টস হাব তৈরির কথা ভাবছে সরকার ও বিসিবি।

এ বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, “পূর্বাচলে বরাদ্দকৃত মাঠে ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ অবশ্যই হবে। পাশাপাশি এখানে মাল্টিপারপাস স্পোর্টস সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে ক্রিকেট বোর্ড, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা চাই, এ প্রকল্প নিয়ে আর কোনো জটিলতা বা বিতর্ক না থাকুক। সবকিছু সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।”

শনিবার (১৮ এপ্রিল) পূর্বাচল স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন আমিনুল হক। এ সময় বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

স্টেডিয়ামের নকশায় আংশিক পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তামিম, “আজ প্রতিমন্ত্রী পুরো ডিজাইনটি দেখেছেন। আমরা তাকে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেছি। কিছু জায়গায় পরিবর্তন প্রয়োজন, তবে শুধু পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তন নয়। যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই করা হবে।”

আগামী বছর এশিয়া কাপ এবং ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এই দুই ইভেন্টকে কেন্দ্র করেই পূর্বাচল স্টেডিয়ামের প্রাথমিক কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, ২০২৭ সালের এশিয়া কাপ এবং ২০৩১ সালের বিশ্বকাপ, যেখানে কো-হোস্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেটি মাথায় রেখে প্রথম ধাপে ক্রিকেট বোর্ডই কার্যক্রম শুরু করবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় যা কিছু করণীয় আছে, সেটি আমরা পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে চাই, যাতে এই প্রকল্প নিয়ে আর কোনো বিভ্রান্তি বা জটিলতা না থাকে।”

আর্থিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় দেশের অন্যান্য খেলার উন্নয়নে বিসিবির দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “এটি বড় একটি প্রকল্প। ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্য খেলাগুলোকেও এখানে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রিকেট বোর্ড আর্থিকভাবে তুলনামূলক শক্তিশালী, তাই অন্যান্য খেলাধুলার উন্নয়নেও আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। সেই চিন্তা থেকেই এই প্রকল্পে বিভিন্ন স্পোর্টস যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।”