বাংলাদেশের সাথে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত

Img 20250404 131609
৩২

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের সাথে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে ভারতের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সমাধানের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি এ তথ্য জানান বলেন।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, অগ্রগামী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সহযোগিতা উভয় দেশের জন্য বাস্তব সুফল বয়ে এনেছে। এ সময় যৌক্তিকতার ভিত্তিতে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ভারতের আগ্রহের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

দুই নেতার বৈঠকে সীমান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন নরেন্দ্র মোদি। সীমান্তের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্যও এটি জরুরি। এ সময় পরিবেশকে উত্তপ্ত করতে পারে এমন ভাষার ব্যবহার এড়িয়ে চলার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৈঠকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত ঘটনার সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের কথাও বলেন তিনি।

এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, দুই নেতার মধ্যে খুবই ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সীমান্তে হত্যা, তিস্তা চুক্তি।

তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। ভারতে বসে তিনি বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, সে বিষয়েও আলাপ হয়েছে।