ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক ও বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ প্রধান (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।
ই-কমার্স সাইট ই-অরেঞ্জের নানা কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরু হলে ভারতে পালিয়ে যান সোহেল রানা।
রোববার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্যদের পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘সোহেল রানার দেশ ত্যাগের বিষয়ে কারও গাফিলতি রয়েছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। সরকারি চাকরির বিধি অমান্য করার বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে দেশে ফেরাতে কার্যক্রম চলছে।’
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গত ৩১ অগাস্ট ঢাকার হাকিম আদালতে একটি মামলা করেন এক ভুক্তভোগী। সেখানে আসামির তালিকায় সোহেল রানার নাও ছিল।
আদালত তখন গুলশান থানাকে মামলাটি ‘এফআইআর’ হিসাবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয়। ২ অক্টোবর থানা ওই আবেদনকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে। পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত থেকে গত ৪ সেপ্টেম্বর তাকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘পুলিশের কেউ অপরাধে জড়িয়ে ছাড় পাচ্ছে না। বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি মামলাও হচ্ছে।’
চিত্রনায়িকা পরীমণি ইস্যুতে আলোচিত ঢাকা বোট ক্লাব সরকারের অনুমোদন নিয়ে গড়ে ওঠেছে কি-না এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ সরকারের অনুমতি নিয়ে এই ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন কি না-শুক্রবার জাতীয় সংসদে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ।
সংসদে এমন আলোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইজিপি বলেন, ‘সংসদের ভেতরের আলোচনা নিয়ে বাইরে থেকে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে জানতে চাইলে সে উত্তর তার কাছে আছে।’