
প্রিয় আলো: নিউজ ডেস্ক: জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে রায় হওয়ার আগ থেকেই তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা-অযোগ্যতার প্রসঙ্গ ছিল আলোচনায়।
বিএনপি নেতারা এবং খালেদা জিয়া নিজেও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তাকে সাজা দিয়ে সরকার আসলে ভোট থেকে তাকে বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।
এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আনা ২ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায়, ক্ষমতায় থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের’ কারণে পাঁচ বছর সাজা দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ন্যূনতম দুই বছর দণ্ডিত হলে সংসদ সদস্য হওয়ার ও থাকবার যোগ্যতা হারান যে কেউ। মুক্তি লাভের ৫ বছর পার না হওয়া পর্যন্ত ভোটে অংশ নেওয়া যায় না।
এই আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়া ভোট করার যোগ্যতা হারিয়েছেন; তবে আপিল করলে বিষয়টি হবে ভিন্ন হবে এমনকি তিনি চাইলে আপিল করে ভোট দিতে পারবেন।