
প্রিয় আলো: জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আনোয়ারুল হক প্রামাণিক বলেন, গত এক সপ্তাহে তাদের হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে,
“তাদের মধ্যে দুইজনের হার্টের অসুখ ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। অন্য নয়জন শিশু। তাদের লোবাকোয়েট, নিউমেনিয়া ও জন্মের সময় সমস্যা ছিল। এসব রোগে তারা মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই মৃত্যুর পেছনে শীতের প্রভাব রয়েছে এটা বলা যেতে পারে।”
হাসপাতালের চিকিৎসক শাহিনুর রহমান সরদার শিপন বলেন, শীতজনিত কারণে এ হাসপাতালে এখনও ১৮০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৪৯ জনই শিশু।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হিম ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। বিশেষত নদীতীরবর্তী দরিদ্ররা কনকনে শীতে বেশি কাহিল হচ্ছে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারছে না।
জেলা আবহাওয়া সহকারী নজরুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে রাজারহাট আবহাওয়া অফিসে এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।