আওয়ামী লীগের সাজানো, পাতানো, তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন বর্জন এবং ভোটদান থেকে বিরত থেকে দেশ, জাতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিরোধী সরকারের সকল ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
আজ শুক্রবার রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে প্রহসনের নির্বাচন বর্জন, ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত, বিরোধীদলবিহীন কথিত নির্বাচন প্রত্যাখ্যান এবং দেশের হারানো গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে গণসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করিম বলেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতেই দেশে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি করেছে। তারা দেশের জনপ্রশাসন ও বিচারবিভাগসহ সকল জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে ফেলেছে।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে দাসপ্রবণ ও আত্মসম্মানহীন লোকদের নিয়োগ দিয়ে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা নির্বাচনকে প্রতিপক্ষহীন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামুক্ত রাখার জন্যই কেয়ারটেকার সরকারের গণদাবি উপেক্ষা করে নির্বাচনের নামে কানামাছি খেলা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে নাম-পরিচয়হীন রাজনৈতিক এতিম ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন নির্বাচনী ভিক্ষুকদের। তাই সচেতন জনতা মাফিয়াতন্ত্রীদের পাতানো খেলায় কোনোভাবেই পা দেবে না এবং সরকারের পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেবে না।
তিনি আরো বলেন, সরকার নির্বাচনী ময়দানকে ফাঁকা করার জন্যই জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সহ জাতীয় নেতাদের অন্যায়ভাবে কারাগারে অন্তরীণ করে রেখেছে। তারা নিন্ম আদালতকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণহারে সাজা দেওয়া শুরু করেছে। কিন্তু এসব করে বাকশালী ও ফ্যাসীবাদীদের শেষ রক্ষা হবে না।