কর্মশালার এক পর্যায়ে মি. ফরহাদুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ” সেলফ একচুয়ালাইজেশন এবং প্লে ইউর লাইফ ক্রিকেট ” বিষয়ক একদিনের কর্মশালা। প্রোগ্রামটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন, মোস্তফা কামাল ত্বহা। সেই ২০১১ সাল থেকে যাত্রা শুরু। এখনো পর্যন্ত পতি সপ্তাহেই একটি করে কর্মশালার আয়োজন করে যাচ্ছে ড্রিম কেয়ার ইভেন্ট। কখনো নগরে, কখনোবা বন্দরে। কখনো ইনডোর, কখনোবা আউটডোর। মূলত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উদ্যোগে দেশের প্রতিটি স্থানেই চলছে এই কর্মশালা। এই কর্মশালা এক দিন, দুই দিন, আবার তিনদিনেরও হয়ে থাকে। সেশন ভিত্তিক বিষয়ের মধ্যেও থাকে ভিন্নতা। থাকে জীবন বোধের বিভিন্ন রস।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মশালা শুরু হয়েছে। কর্মশালার প্রথম সেশনে “সেলফ একচুয়ালাইজেশন” বিষয়ের উপর ক্লাস নিয়েছেন – ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইন্সট্রাক্টর, বাংলাদেশ ইয়োগা এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি, প্রোএকটিভ এন্ড পজেটিভ এটিচিউড আন্দোলনের প্রাণপুরুষ,  ড. আলমাসুর রহমান পিএইচডি। কর্মশালার দ্দ্বিতীয় সেশনে “প্লে ইউর লাইফ ক্রিকেট” বিষয়ের উপর ক্লাস নিয়েছেন –  ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং ফেডারেশনের চীফ মনিটরিং অফিসার, রেডিও ড্রিম বাংলার সিইও, ড্রিম স্কিল কেয়ার ইন্সটিটিউট এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ড্রিম কেয়ার ইভেন্টের স্বপ্নদ্রষ্টা, দেশ-বিদেশের অসংখ্য সফল মানুষের প্রাণের স্পন্দন মি. ফরহাদুল ইসলাম।

আগত প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম সেশনের একটি পর্ব

আগত প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে- শিক্ষক, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, এনজিও কর্মকর্তা, নানান পেশায় কর্মরত তরুণ-তরুণী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তাহমিনা নামের একজন বলেন, “এই কর্মশালা আমাকে জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে এবং নতুন কিছু করার অসীম সাহস যুগিয়েছে, শিখেছি কীভাবে সঙ্কটাপন্ন অবস্থার মধ্যে দিয়েও সফল হওয়া যাবে”।

ড্রিম স্কিল কেয়ার ইন্সটিটিউট এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ড্রিম কেয়ার ইভেন্টের স্বপ্নদ্রষ্টা মি. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, “জীবনের অর্থ হল গতি, যা কিনা ছোটাছুটি। প্রাণপণে ছোটার নাম হল বেচে থাকা, চুপচাপ থাকার নাম মরে যাওয়া। ছোটাছুটি না করে যারা বেচে আছে, তারা মরে বেঁচে আছে”।

মি. ফরহাদুল ইসলাম , ড. আলমাসুর রহমান এবং কর্মশালার সঞ্চালক ত্রয়ীর ফটোসেশন

কর্মশালা সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার তাড়না আমাকে দারুন ভাবে আকৃষ্ট করত। সে থেকেই একটি সুস্থ মনের সফল মানসিকতার মানুষ গড়তেই সন্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেছি। সামনে জাতীয় পর্যায়ে আরো বড় পরিসরে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কোন পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোড় চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা এবং সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে চমৎকার কিছু উপহার দিতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি”।

 

মি. ফরহাদুল ইসলামের সরাসরি কিছু বক্তব্য ভিডিও আকারে দেয়া হলো-

https://www.facebook.com/dreamcareevent/posts/431400740594026