জয়া জাহান চৌধুরীর বিশেষ প্রতিবেদনঃ-  দাবা শুধুমাত্র বাংলাদেশেই নয় বরং বিশ্বব্যাপী অন্যতম একটি জনপ্রিয় খেলা। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে অতি পরিচিত একটি নাম সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের পরিচালক ও সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোঃ রুহুল আমীন, যিনি ক্রীড়া প্রেমী এবং একজন সাদা মনের মানুষ হিসেবেই আরও বেশী পরিচিত। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের এমন অর্জনে তিনি সকল খেলোয়াড়দের অভনন্দন জানিয়ে বলেছেন; ” তোমরা পার, তোমরাই পারবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে “।

র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান (RAB) এর মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার) দাবা সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানিয়েছেন শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।

দাবা একটি জনপ্রিয় খেলা যা বোর্ডের উপর খেলা হয়। যিনি দাবা খেলেন তিনি দাবাড়ু হিসেবে আখ্যায়িত। দাবায় দু’জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। দাবা খেলায় জিততে হলে বোর্ডের ওপর ঘুঁটি সরিয়ে বা চাল দিয়ে বিপক্ষের রাজাকে ফাঁদে ফেলে “খেতে” বা নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, দাবার পরিভাষায় একে বলে “কিস্তিমাত”।

যুদ্ধংদেহী বোর্ড ক্রীড়া হিসেবে দাবা খেলার সুনাম রয়েছে। খেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে – প্রতিপক্ষের ঘুঁটি আয়ত্তে আনার মাধ্যমে নতস্বীকারে বাধ্য করা। বোর্ডজাতীয় ক্রীড়ার মধ্যে এ খেলার বিশ্বব্যাপী অসম্ভব জনপ্রিয়তা রয়েছে। পরিকল্পনামাফিক অগ্রসরতা ও আক্রমণ চিহ্নিত করার দক্ষতার মাধ্যমে দাবাড়ুর শক্তিমত্তা যাঁচাই করা সম্ভবপর। প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই রাজা, মন্ত্রী, হাতি, ঘোড়া, নৌকা ও বোড়ের সমন্বয়ে গঠিত ১৬ ঘুঁটির সৈনিকদল একে-অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। প্রত্যেক ঘুঁটিরই বোর্ডের স্থানান্তরের বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। কোন কারণে ঘুঁটির মাধ্যমে প্রতিপক্ষের ঘুঁটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে তা দখলের পর্যায়ে পৌঁছে ও বোর্ড থেকে সরিয়ে ফেলতে হয়।

উল্লেখ্য,  সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব গত শনিবার চীন এবং রবিবারে অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তিকে হারিয়ে বাংলাদেশের দাবার মান এবং যোগ্যতা নিয়ে গেছে অনেক দূর। দেশের সুনাম উজ্জল হয়েছে আরও বহুগুণে। দাবার ক্রীড়াঙ্গনে চলছে আনন্দের জোয়ার।

 

এ ছাড়াও দাবা সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সাইফ পাওয়ারটেক লিঃ এর পরিচালক তরফদার মোঃ রুহুল সাইফ।

বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য স্পোর্টিং ক্লাবের এ সাফল্য সারা বাংলাদেশের। এ ধারা অব্যাহত রাখা গেলে খুব শীঘ্রই আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ হয়ে উঠবে সেরা জায়ান্ট হিসেবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ সরকার যদি  সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি গুরুত্বদিয়ে দেখেন, তবে অচিরেই বিশ্ব দরবারে ক্রিকেটের পর দাবাই হতে পারে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সেরা বিজ্ঞাপন।