বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আগে ডিমের সঠিক দাম জানতে হবে। এরপর ভোক্তা অধিকার নায্য দাম আদায়ে মাঠে নামবে। কিন্তু ডিমের দাম কত হবে সেটি ঠিক করে দেয়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ না।
শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক ছায়া সংসদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, বাজারে যেকোনো পণ্যের দাম বাড়লে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। অথচ ডিম, মুরগি, পেঁয়াজ কিংবা কাঁচা মরিচের দাম নির্ধারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ না। এর জন্য আলাদা দুটি মন্ত্রণালয় আছে।
সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দেয় সে দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কিনা সেটি তদারকি করা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে সিন্ডিকেটের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যেত। কিন্তু সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক না করে কয়েকটি সিন্ডিকেট বন্ধ করে দিলে তারা বাজারে পণ্য দেয়া বন্ধ করে দিবে। এতে করে ভোক্তারা বিপাকে পড়বে। তবে সিন্ডিকেটের প্রভাব যাতে না পরে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় করছে।
এদিকে শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই দিনের ব্যবধানে ডজন প্রতি ডিমের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। এছাড়া পাইকারি বাজারে ক্রেতাদের ডিম কিনতে হচ্ছে ১৬০-১৬৫ টাকায়। এর বাইরে হালি প্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা এবং প্রতি পিস ডিম ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ডিমের দাম নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, করপোরেট সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে দেশের বাজারে ডিমের দাম আরও বাড়বে।