নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর ধোলাইখাল ও মাতুয়াইলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ও ইটপাটকেলে আটজন আহত হয়েছেন।
রাজধানীর সব প্রবেশমুখে শনিবার বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ধোলাইখাল, মাতুয়াইল, শনির আখড়াসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ শটগান দিয়ে গুলি ছোড়ে। আর অবস্থানকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ভাঙচুর করে পুলিশের গাড়ি। আগুন দেওয়া হয় বাসে। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও আহত হন পুলিশের লাঠিপেটায়।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হাসান সোহান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ নাট্যবিষয়ক সম্পাদক মো. এনামুল হক এনাম (৩৫), পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আ. আজিজ মাহমুদ (২৮), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন রুবেল (৩৫), কলাবাগান থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. জাকিরুল আলম (৩২), কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. মেহেদী হাসান আবির (২৯) ও বিএনপিকর্মী মো. ওবায়দুল (৪০)।
এদের মধ্যে আশরাফ মিয়ার দুই পায়ে ও ডান হাতে শর্টগানের গুলি লেগেছে। তিনি জানান, তিনি মোটরগ্যারেজের ইঞ্জিন মিস্ত্রি। দুপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মাতুয়াইল মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
আর আহত আরিফ জানিয়েছেন, তিনি পথচারী। ওই হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তার মাথায় ইট এসে পড়ে।
ধোলাইখাল এলাকা থেকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা নেতাকর্মীরা জানান, তারা ধোলাইখালে বিএনপির পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। তখন পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তারা দাবি করেন, এক পর্যায়ে পুলিশের শটগানের গুলি ও ইট পাটকেলের আঘাতে তারা আহত হন।
তারা আরও জানান, অবস্থান কর্মসূচি পালনকারীরা যে ইট-পাটকেল পুলিশের দিকে নিক্ষেপ করেছে, সেগুলোই আবার তুলে পুলিশ পাল্টা তাদের (অবস্থানকারীদের) দিকে ছুড়ে মেরেছে।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসা নিয়ে চলেও গেছেন।