ভারতের উত্তরাঞ্চলে গত তিন দিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগামী আরও কয়েক দিন প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়া বিভাগ।
সোমবার (১০ জুলাই) এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। সেখানে মানালি, কুলু, চাম্বা, কিন্নৌরে নদীতে চকিত বন্যা হয়েছে, প্রবল ধস নেমেছে পাহাড়ে, উত্তাল নদী একের পর এক বাঁধ ভেঙে দিয়েছে।
শতদ্রু, বিপাশা, চন্দ্রভাগা-সহ প্রচুর নদীর জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বৃষ্টিপাতের জেরে ৯০টি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে শুধু শিমলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯টি রাস্তা।
উত্তরাখণ্ডের অবস্থাও খারাপ। সেখানেও ধস ও বন্যার খবর এসেছে। প্রায় প্রতিটি নদীই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের কাথুয়া ও সাম্বাতে বিপৎসংকেত জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমেছে। তিনদিন বন্ধ থাকার পর রোববার অমরনাথ যাত্রা আবার শুরু হয়েছে।
এছাড়াও সোমবার দিল্লি ও গুড়গাঁতে সব স্কুলে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি সরকার বন্যা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার জন্য ১৬টি কন্ট্রোল রুম খুলেছে। হরিয়ানা থেকে যমুনায় এক লাখ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর ফলে যমুনার ধারে নিচু এলাকা ভেসেছে।
রাজস্থান, পা়ঞ্জাব ও হরিয়ানাতেও নিচু এলাকাগুলি ডুবে গেছে। প্রবল বৃষ্টির ফলে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় সব স্কুল, অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে।