নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বিয়ের বছর না ঘুরতেই তুহিনের স্ত্রী প্রমি তাঁর দুলাভাইয়ের সাথে পরকীয়ার আসক্তির বলি হয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা তুহিন।প্রমির স্বামী ব্যাংক কর্মকর্তা কাজী ইকবাল তুহিন বলেন; ” ২০১৫ সালের ১৫ মে নারায়নগঞ্জের মাসদাইর এলাকার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মচারী মোঃ শফিকুল্লাহর মেয়ে প্রমির সাথে বিয়ে হয় তাঁর “।
বিয়ের পর থেকেই প্রমির উগ্র চলাফেরা এবং প্রমির বড় বোন লিসানের স্বামী আনোয়ারের সাথে সিলেটসহ সুযোগ বুঝে দেশের নানান স্থানে সময়কাটানো ছিল প্রমির সাপ্তাহিক রুটিন।
এ ছাড়াও রাত-দিন সারাক্ষন মোবাইলে গেমস খেলা ( ফেইসবুক ), কানে হেড ফোন দিয়ে কথা বলাসহ নানান কারনে তুহিনের পরিবারের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হতে থাকে। এমতাবস্থায় স্বামী তুহিন, প্রমির এসকল আপত্তিকর কর্মকাণ্ডে পরিবার এবং এলাকার সুধীজনদের পরামর্শক্রমে গত ২৩ এপ্রিল’১৬ প্রমিকে তালাক প্রদান করে।
এ খবরে সুযোগ সন্ধানী ভগ্নিপতি আনোয়ারের কু-পরামর্শে তুহিনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য তুহিন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রমিকে বাদী করিয়ে একটি হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে তুহিন বলেন; ” তালাক দিবো এ বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরেও প্রমির পরিবার মীমাংসা করার কোন চেষ্টা তো করেইনি বরং মনে হয়েছিল তালাক দিলেই তাঁরা বেচে যায় “।
অথচ সমঝোতা মূলক তালাকের পরই প্রমি ও তাঁর দুলাভাই মিলে আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল! তুহিনের ভাষ্যমতে এটা রীতিমত একটা হাস্যকর ব্যাপার। এ মামলায় তুহিন জামিনে বের হয়ে আসার পর প্রমি এবং তাঁর ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে নানান রকম হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।
হুমকির মধ্যে রয়েছে- আরও মিথ্যা মামলা দায়ের, হাত-পা ভেঙ্গে ঘরে বসিয়ে দেয়া, সর্বশেষ প্রাণ নাশের হুমকি পেয়ে তুহিন প্রিয়আলোসহ অন্যান্য স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক এবং আইনজীবীদের সরনাপন্ন হন। এ ব্যাপারে থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানান তুহিন। অপরদিকে তিতাসের কর্মচারী হয়ে প্রমির বাবার কোটিপতি হওয়ার খবর এখন মাসদাইর এলাকার বাসীন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।