নিজস্ব 11প্রতিবেদক : গুলশানে হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার পর সেখান থেকে ২০ জিম্মির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী এ তথ্য জানান।

 

তিনি জানান, রেস্টুরেন্টের ভেতর থেকে ২০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের সবাইকে শুক্রবার রাতেই হত্যা করা হয়। অধিকাংশকে ধারালো অস্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

 

গুলশানে রেস্টুরেন্টে উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব, পুলিশও অনন্য ভূমিকা পালন করে বলে জানান নাঈম আশফাক চৌধুরী। তিনি বলেন, এই হামলায় প্রথমে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত ও ২০ পুলিশ আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গুলশানে জিম্মিদের উদ্ধারে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনা করা হয়। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবির সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নেন। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে অভিযান শুরু হয়। ১২-১৩ মিনিটের মধ্যেই সকল সন্ত্রাসীকে দমন করা হয়। সকল কাজ সেরে সকাল সাড়ে ৮টায় উদ্ধার অভিযান শেষ হয়।

 

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, জিম্মিদের মধ্যে তিনজন বিদেশিসহ ১৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকৃত বিদেশিদের একজন জাপান ও দুজন শ্রীলঙ্কার নাগরিক। অপারেশন থান্ডারবোল্টে ছয়জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। সন্দেহভাজন একজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, অভিযানে একে ৪২ রাইফেল, রিভলভার, পিস্তল, ওয়াকিটকি সেট ও বেশ কিছু দেশি-বিদেশি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকারী কেউ হতাহত হয়নি।

 

উদ্ধারকৃত লাশের ময়নাতদন্ত সম্মীলিত সামরিক হাসপাতালে করা হবে বলে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী।