আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবার নতুন ফতোয়া জারি করেছে- দাড়ি কাটলে বা কাটালে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা। ইসলামিক জীবন বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত সিদ্ধান্ত হলেও এর আগে দাড়ি কাটার জন্য দৈহিক শাস্তি দেওয়া হতো। এবার তা আয়ের উৎস হলে গেল।
এ ছাড়া আরো একটি ফতোয়া জারি করা হয়েছে। নারীরা আটসাঁট পোশাক পরলে জনপ্রতি ২৫ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে। এ কারণেও আগে শাস্তি দেওয়া হতো।
আইএস নিয়ে এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের রোববারের এক খবরে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রবাহ ও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিষ্ঠান আইএইচএস ইনকরপোরেশন স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরের ওপর তাদের এক গবেষণায় জানিয়েছে, ক্রমাগতভাবে অর্থের উৎস কমতে থাকায় বিভিন্ন খাতে কর ও জরিমানার পরিমাণ বাড়িয়েছে আইএস। অর্থ সংকট কাটিয়ে উঠতে তারা এ পথ বেছে নিয়েছে।
ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল এলাকা দখল করে নিজস ধাঁচের কড়াকড়ি শাসন জারি করেছে আইএস। কথা না শুনলেই যেখানে শিরশ্ছেদ করা হয়, সেখানে অর্থের জন্য সব কিছুতে কিছুটা নমনীয়তা দেখা দিয়েছে।
আইএইচএসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক লুদোভিকো কারলিনো জানিয়েছেন, তেলের বাজার পড়ে যাওয়ার পর কালো বাজারে তেল বিক্রি থেকে আইএসের আয় কমে যাওয়ায় সব খাতে কর বাড়িয়েছে তারা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সব কিছুতে কর ও জরিমানার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে জুলুম রাজত্ব কায়েম করেছে তারা।
২০১৪ সালে আইএসের উত্থানের পর এ পর্যন্ত নানা নির্যাতনমূলক ফতোয়া জারি করেছে তারা। শেষ পর্যন্ত যোগ হলো- দাড়ি কাটলে ১০০ ডলার জরিমানা।