জিম্বাবুয়ে সফরে উড়াল দেওয়ার আগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে আজ (২৫ জুলাই) মধ্যাহ্নভোজ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি।
সেই মধ্যাহ্নভোজের শেষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। এই সময় গণমাধ্যমে জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টর সুজন জানিয়েছেন,
ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এখন থেকে কাজ করবে বাংলাদেশ দল। নতুন এই দলের সবার মধ্যে পেশাদারিত্ব মনোভাব থাকবে বলেও জানিয়েছেন খালেদ মাহমুদ। তিনি প্রমিজ করে আরও জানিয়েছেন, এখন থেকে ক্রিকেটাররা মাঠের ভেতর এবং মাঠের বাইরের ডিসিপ্লিনও ঠিকমতো মেনে চলবে।
খালেদ মাহমুদ সুজনের ভাষ্যে আজকের সংবাদ সম্মেলন, ‘আমি আজকে ছেলেদের বলেছি যে, প্রফেশনালিজম (পেশাদারিত্ব) তৈরি করতে। আমাদের একত্রে পেশাদার হতে হবে, ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, এটা কীভাবে করতে পারি, দেখতে হবে।
হ্যাঁ, এর জন্য আমাদের মন খারাপ হতে পারে। বাদ পড়লে স্বাভাবিক মন খারাপ হবে, ঢুকলে আবার মন ভালো হবে। ভালো খেললে ভালো লাগে, খারাপ খেললে খারাপ লাগে। আসলে ক্রিকেট সাইকোলজিকাল গেম, এখানে সবচেয়ে বেশি প্রেশার আসলে মানসিকভাবে হয়। আমরা কেন ভালো খেলি না, মেন্টাল টাফনেসের জন্যই তো এ রকম হয়।
কিন্তু কথা হচ্ছে আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এই ক্রিকেট কালচারটা গড়ে তুলতে পারব না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ভালো ক্রিকেট টিম হতে পারব না।
এখন আমি যখন পেশাদার, তখন আমার চাকরির খবর তো বাসায় যায় না। আবার আমার বাসার খবর তো চাকরির এখানে এসেৃৃ বিষয়টা এ রকমই। এখন আমরা পেশাদার কীভাবে হতে পারি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
ক্রিকেট একটা পরিবার। এখানে ভেতরের কথা বাইরে যাওয়াটাও ভুল বার্তা। সেটা যেই দিচ্ছে বা যারাই দিচ্ছে এটা ভালো না, স্বাস্থ্যকর না। আমরা এসব নিয়ে কথা বলেছি। আমি মনে করি, এটাই সময় আমাদের ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তোলার।
আমি আশা করি, আজকের পর থেকে জাতীয় দলে যারাই খেলবে সবাই দায়িত্বশীল আচরণ করবে। কারণ, তারা সবাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের আইকন। কেবল ক্রিকেট না বাংলাদেশেরও আইকন।
আমি আশা করি ক্রিকেটাররা এখন থেকে আরও দায়িত্বশীল হবে। কেবল মাঠের ভেতরে না মাঠের বাইরের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। আর আমি আশা করি আজকের পর থেকে আমি আরও দায়িত্বশীল বাংলাদেশ দল দেখব।
যারা দায়িত্ব নিতে জানে, ম্যাচ জিততে জানে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে জানে। আমরা হারব এরমধ্যে। তবে সেই হারের মধ্যেও যেন সন্তুষ্টি থাকে যে, আমরা সর্বোচ্চ লড়াই করে হেরেছি। সেটা যেকোনো ফরম্যাট হোক আমরা চেষ্টা করব।
এবং মাঠের বাইরের ডিসিপ্লিনও আমরা বজায় রাখার চেষ্টা করব এটুক আমি প্রমিজ করতে পারি।