নাটোরের গুরুদাসপুরে উজ্জল মিয়াজী হত্যার আটককৃত আসামীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকালে গুরুদাসপুর উপজেলার কাছিকাটায় উজ্জল মিয়াজী হত্যার আটককৃত আসামী কবির খালাজী ও আমির হোসেন কালুর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাটোর জেলার গুরুদাসপুরের কাছিকাটা, পাবনা ও সোয়াদপুর এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করে। মানবন্ধনে গুরুদাসপুর এলাকাবাসী পক্ষে বক্তব্য রাখেন, উজ্জল মিয়াজীর আত্নীয় বিলাস ও রঞ্জু আহমেদ।

উজ্জল মিয়াজীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঢাকার নারায়নগঞ্জে বসবাস করতেন উজ্জল মিয়াজী। তিনি বাংলাদেশ মুাক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পূর্ণবাসন সোসাইটি কেন্দ্রীয় যুব কমান্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়া ও তাঁর ঢাকায় মৎস্য আড়ত ও যুমনা ফিউজার পার্কে একটি মোবাইল দোকান রয়েছে।

গত ৪ই মে বন্ধুদের একটি ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিজ শ্বশুড়বাড়ী চাঁদপুরের মতলব উত্তরে যান ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়াজী। ওই রাতে মতলব উপজেলার ষাটমল পর্যটন কেন্দ্রে বন্ধুদের ঈদ পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় একদল নৌ ডাকাত দল ফাঁকা গুলি ছোড়ে ঘটনাস্থল আক্রমণ করলে সবাই পালিয়ে গেলেও উপস্থিত উজ্জল মিয়াজীর উপর গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এঘটনায় গত ৫ই মে নিহত মিয়াজীর বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া মতলব থানায় কবির খালাসী,আমির হোসেনসহ ২৫জনের নামে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গত ২৫ জুন এঘটনার সাথে জড়িত দুই ডাকাত দলের সদস্য কবির খালাসী ও আমির হোসেন কালুকে রাজধানী ঢাকার উত্তরা থেকে আটক করে র‌্যাব বাহিনী। আটককৃত কবির খালাসী শরীয়তপুর নরসিংদীপুর নৌ-থানায় ডাকাতি মামলায় অপর আসামী আমির হোসেন কালু শিশু ও নারী নির্যাতন মামলায় চাঁদপুরে আটক রয়েছে।

বক্তব্যে বিলাস ও রউফ বলেন, অবিলম্বে উজ্জল মিয়াজী হত্যার জড়িত আটককৃত কবির খালাসী ও আমির হোসেন কালুকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি এ হত্যার জড়িত পলাতক সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের অনুরোধ জানানো হয়।