ফ্রান্সের প্যারিসে পুলিশের গুলিতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। রবিবার দেশটির সাধারণ নির্বাচনে ইমানুয়েল ম্যাক্রনের দ্বিতীয়বার জয়লাভের কয়েকঘণ্টা পরই এই ঘটনা ঘটে।
দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের ক্ষমতায় ফিরেছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন। প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কিন্তু এর মাঝেই দেশবাসীর প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়লেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। প্যারিসের রাস্তা উত্তাল ম্যাক্রন বিরোধী বিক্ষোভে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতেই শহরে কাঁদানে গ্যাস, গুলি চালায় পুলিশ। এতে অন্তত ২ জন নিহত হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রবিবার স্থানীয় সময় (২৪ এপ্রিল) মধ্যরাতের পর নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলে প্যারিসের বিভিন্ন এলাকায় লে পেনের সমর্থকরাবিক্ষোভ শুরু করে। তখন বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েকটি টিয়ারশেল ছোড়ে পুলিশ। একই সময় পন্ট নিউফেও বিক্ষোভ শুরু হয়। তখন পন্ট নিউফের এলাকা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে চ্যাম্প ডি মার্স পার্কে সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনের বিজয় উদযাপন করছিলেন ম্যাক্রন।
সে সময় একটি গাড়ি পুলিশের দিকে আসতে শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আত্মরক্ষা করার জন্য গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে গাড়ির ভেতর থাকা তিনজনের মধ্যে দুইজন ঘটনাস্থলে নিহত হন।
ফ্রান্সের নাগরিকরা রবিবার (২৪ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী কট্টর ডানপন্থী মেরি লে পেনকে হারিয়ে ২০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বার জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন ম্যাক্রোঁ।
এমানুয়েল ম্যাক্রন পেয়েছেন ৫৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ ভোট, অন্যদিকে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেরি লে পেন পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ ভোট।