দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারো প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নিজস্ব প্রযোজনায় বিশেষ মারাঠি চলচ্চিত্রটিকে ফিরিয়ে আনছেন। অভিনেত্রী ঘোষণা করেছেন, ২০১৬ সালের ছবি ‘ভেন্টিলেটর’-এর সিক্যুয়েল হিসেবে আসছে ‘ভেন্টিলেটর ২’। তিনি জানিয়েছেন, ছবিটির পরবর্তী পর্ব নিয়ে কাজ চলছে এবং আগামী বছরে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

ছবিটি তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘পার্পল পেবল পিকচার্স’-এর ব্যানারে নির্মিত হবে এবং চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক হিসেবে আবারও থাকছেন রাজেশ মাপুস্কার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর শেয়ার করার সময় অভিনেত্রী তার প্রযোজনা সংস্থা শুরুর পেছনের কারণটির কথা স্মরণ করেন। তবে এই সিক্যুয়েলের গল্প কী হবে বা এতে কারা অভিনয় করবেন, সে বিষয়ে নির্মাতারা এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ইনস্টাগ্রামে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া লিখেছেন, ১০ বছর আগে ‘পার্পল পেবল পিকচার্স’-এর মাধ্যমে আমি এমন সব গল্প তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যার বিশেষ অর্থ রয়েছে। আমাদের সংস্থার কাছে ‘ভেন্টিলেটর’ ছিল তেমনই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গল্প।

এক দশক পর আমরা আরও অনেক কিছু নিয়ে সেই গল্পের কাছেই ফিরে আসছি।

ভেন্টিলেটর চলচ্চিত্রটি তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। এর মধ্যে রয়েছে সেরা পরিচালক (মাপুস্কার), সেরা সম্পাদনা এবং সেরা সাউন্ড মিক্সিংয়ের পুরস্কার। কাহিনিটি কামেরকর পরিবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, যারা গণেশ চতুর্থীর ঠিক আগে হাসপাতালে একত্রিত হয়, যখন পরিবারের এক বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়।

চলচ্চিত্রটিতে দেখানো হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন এবং একই সঙ্গে তাদের পুরোনো মতপার্থক্য ও প্রজন্মের ব্যবধানজনিত দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হন। ছবিটি মুক্তির পর ‘স্ক্রল’-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া মারাঠি চলচ্চিত্র প্রযোজনার সিদ্ধান্তের বিষয়ে কথা বলেন।

তিনি বলেন, অনেকেই চিত্রনাট্যটিকে চমৎকার বলে মনে করেছিলেন, কিন্তু এটি প্রযোজনা করার ব্যাপারে তাদের সংশয় ছিল। কেউ কেউ আমাকে মারাঠি ভাষায় ছবিটি তৈরি না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কারণ আমার প্রথম চলচ্চিত্র ‘ফেরারি কি সওয়ারি’ ছিল হিন্দি ভাষায়। তাদের ধারণা ছিল, মারাঠি ভাষায় কাজ করলে আমার বাজারমূল্য কমে যাবে।

তবে আমি নিশ্চিত ছিলাম, এটি হিন্দিতে তৈরি করতে চাই না। অর্থনৈতিক দিক থেকেও মারাঠি ভাষায় চলচ্চিত্র নির্মাণ যুক্তিযুক্ত। কারণ সেখানে ভালো চিত্রনাট্য সমাদৃত হয় এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়।

ছবিটিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া আশুতোষ গোয়ারিকর, জিতেন্দ্র যোশি, সুলভা আর্য, বিজু খোটে, সতীশ আলেকর এবং অচ্যুত পোতদার এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।