জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে শনিবার (৭ নভেম্বর) বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হবে। এতে পায়ে হেঁটে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শোভাযাত্রাটি রাজধানীর কাকরাইল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে। এ আয়োজন ঘিরে ইতিমধ্যে সব ধরনের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।
দিবসটি উপলক্ষে এবার ৫ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে দলটি। কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, মহানগর ইউনিট এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। সেখানে তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন। পরে তারা ফাতেহা পাঠ করবেন।
বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে। এরপর কাকরাইলের প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পৌঁছাবে।
সেখান থেকে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে। তারা আয়োজনটি স্মরণীয় করে রাখতে চান।
অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন জানান, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে শোভাযাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৬টায় নয়াপল্টনসহ দেশের সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি।
এছাড়া দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনাসভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ওই দিনের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকারবিরোধী শক্তির পরাজয় ঘটেছিল।
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।