মজুরি বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী তার সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর বাতিল করেছেন।

এছাড়াও শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কয়েকজন মন্ত্রীকে নিজের কার্যালয়ে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এদিকে ডিসেম্বরকে টার্গেট করে শ্রমিক অসন্তোষ হচ্ছে বলে মনে করছেন কি না—জানতে চাইলে শ্রমমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই! এটা তো পরিষ্কার। একটি ছাত্র সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদককে দেখা গেছে শ্রমিক সেজে সেখানে (ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলা আন্দোলনে) গেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবিও প্রকাশিত হয়েছে।’

কোন ছাত্র সংগঠন জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন!’

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পর্যালোচনায় সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করে।

সূত্র জানায়, শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে শ্রমিক প্রতিনিধির মনোনীত ব্যক্তির নাম পেতে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সময় লেগে যায়। যে কারণে মজুরি বোর্ড গঠনেও দেরি হয়।

মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি স্বাধীন সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে। তবে বোর্ডের প্রথম বৈঠকের কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার সময়সীমাও জানানো হয়নি।