ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি সংকট ও কম রাজস্ব আদায়ের কারণে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বড় চাপে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ব্যাংক, রাজস্ব ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে থাকতে পারে, সংস্কার গতি পেলে ২০২৮ সালে তা ৩.৯ শতাংশে উঠবে। ২০২৩ সাল থেকেই প্রবৃদ্ধির গতি কমছে।
খেলাপি ঋণ বেড়ে জুন ২০২৬ এ ৩৩.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত ডিসেম্বরে ছিল ৩০.৬ শতাংশ। রাজস্ব আদায় জিডিপির মাত্র ৮.৩ শতাংশ — বিশ্বের সর্বনিম্নগুলোর একটি। বাজেট ঘাটতি বেড়ে ৩.৯ শতাংশে উঠেছে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, গত অর্থবছরের তুলনায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যে পড়েছে। কর্মসংস্থান থেমে গেছে, বিশেষ করে নারীরা চাকরি হারিয়েছেন।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, মন্দা এড়াতে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য এই সংস্কার জরুরি। সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের অর্ধেকই সামাজিক সুরক্ষার বাইরে। ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি ও ফ্যামিলি কার্ডের সমন্বয় হলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করা সম্ভব। রেমিট্যান্স ও রিজার্ভের কারণে বৈদেশিক খাত স্থিতিশীল রয়েছে।