বিবাহিত বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার চরম খেসারত দিতে হয়েছে ভারতের এক তরুণীকে। প্রতিশোধ নিতে লোক ভাড়া করে তাকে গণধর্ষণ করিয়েছেন ওই বন্ধুর স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে গত মাসে, ভারতের কেরালার ত্রিসুরে।
গত মাসে ওই তরুণী তার বিবাহিত ছেলে বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে যান এবং একটি হোটেলে একসঙ্গে থাকেন। সেই হোটেলেই ভাড়াটে একদল লোকের হাতে গণধর্ষণের শিকার হন তিনি। আর নৃশংস এই কাণ্ড ঘটাতে লোকগুলোকে ভাড়া করেছিলেন তারই ওই বন্ধুর স্ত্রী। এছাড়া, ওই ব্যক্তিকেও ব্যাপক মারধর করা হয়। এতে তার হাত ও পা ভেঙে গেছে। সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে তামিলনাড়ুর একটি হাসপাতালের বাইরে ফেলে যায়।
এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, ওই দুজন যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঢোকেন পাঁচ সন্ত্রাসী। এরপর তারা দুজনকে বেঁধে ফেলে একটি গাড়িতে তোলেন। গাড়িতে ওই লোককে মারধরা করা হয়। গাড়িতে করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় তামিলনাড়ুতে।
তামিলনাড়ুতে পৌঁছে একটি হাসপাতালের বাইরে তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে ওই তরুণীকে অন্য একটি গাড়িতে তোলেন দুজন। এরপর তাকে গণধর্ষণ করা হয়।
তদন্তে জানা যায়, নিজের স্বামীর ফোন ট্র্যাক করে তার অবস্থান জেনে নিয়েছিলেন স্ত্রী। এরপর সেখানকার তথ্য সন্ত্রাসী বাহিনীকে দিয়ে নির্দেশনা মতো কাজ করতে বলেন। মূলত ক্ষোভ থেকে এ কাজ করেছেন তিনি।
এদিকে পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া ওই ব্যক্তির স্ত্রীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে আরও গভীরভাবে তদন্ত চলছে।