সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের মামলায় ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি বলেন, ২০১০-১১ সালে জিয়াউল আহসান মাঝরাতে চোখ-হাত বাঁধা বন্দিদের সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে নিয়ে যেতেন। সেখানে মাথা ও বুকে গুলি করে পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো, যাতে মরদেহ ভেসে না ওঠে।
সাক্ষী জানান, অভিযানের আগে সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যরা দোকান বন্ধ করাতেন। রাত ১১টার পর মাইক্রোবাসে বন্দিদের এনে ট্রলারে তোলা হতো। হত্যার পর মাঝিদের ২ থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হতো। অনেক সময় হত্যাকে বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে দেখানো হতো।
তিনি আরও বলেন, তার ভাই আলকাছ মল্লিকও র্যাবের সঙ্গে কাজ করতেন। ২০১১ সালে ‘জিয়া স্যার’ ডেকেছেন বলে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ।
জবানবন্দি শেষে কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউল আহসানকে শনাক্ত করেন তিনি।