হলিউড তারকা হেনরি ক্যাভিলের ভাতিজা থমাস ছোটবেলায় স্কুলে গিয়ে সহপাঠীদের বলেছিল, তার চাচাই সুপারম্যান। কিন্তু বিষয়টি বিশ্বাস করেনি শিক্ষক ও সহপাঠীরা। বরং শিক্ষক তাকে মিথ্যা বলার জন্য বকাঝকা করেন। পরে থমাসের মা বিষয়টি নিশ্চিত করলে পুরো ঘটনা অন্য রূপ নেয়। ক্যাভিল নিজেই বিভিন্ন টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ঘটনাটি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে ক্যাভিল সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর। পরিবার নিয়ে স্কুলের একটি আলোচনায় থমাস গর্ব করে জানায়, তার চাচা সুপারম্যান। তবে স্কুলে গল্প বানিয়ে বলার জন্য থমাসের সুনাম থাকায় শিক্ষক তার কথা বিশ্বাস করেননি। তাকে মিথ্যা না বলার জন্য সতর্ক করা হয় এবং বিষয়টি তার মাকে জানানো হয়।
স্কুল থেকে ছেলেকে নিতে গিয়ে থমাসের মা শিক্ষককে জানান, সে আসলে মিথ্যা বলছে না। তার চাচা সত্যিই হেনরি ক্যাভিল, যিনি পর্দায় সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্যাভিলের বর্ণনা অনুযায়ী, এরপর থমাস আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বুঝিয়ে দেয় যে সে শুরু থেকেই সত্য কথাই বলছিল।
ঘটনাটি পরে বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিকে ঘিরে বিভ্রান্তিও রয়েছে। ছবিটি ক্যাভিলের ভাতিজাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা হলেও, ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটি ২০১৩ সালের পারিবারিক একটি ছবি এবং সেটিকে পরে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ছড়ানো হয়েছে।
হেনরি ক্যাভিল ২০১৩ সালে জে লেনোর অনুষ্ঠানেও ঘটনাটি বলেছিলেন এবং ২০১৮ সালে ‘লাইভ উইথ কেলি অ্যান্ড রায়ান’ অনুষ্ঠানে আবারও বিষয়টি তুলে ধরেন। ফলে গল্পটি নতুন কোনো ঘটনা নয়, বরং ক্যাভিলের নিজের বলা একটি পুরোনো পারিবারিক ঘটনা, যা সময়ের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার ভাইরাল হয়েছে।