দেশে বর্তমানে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ টন খাদ্যশস্যের রেকর্ড মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি জানান, সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের এ মজুত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, যা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈশ্বিক বাজার অস্থিরতায় বাংলাদেশের সক্ষমতাকে অধিকতর সুদৃঢ় করবে।
মঙ্গলবার তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে গত এক সপ্তাহে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরা হয়।
ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্ধারিত নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার টনের তুলনায় বর্তমানে গুদামে প্রায় ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৭৫৩ টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানের সফল বাস্তবায়নের ফলেই এই রেকর্ড মজুত অর্জন সম্ভব হয়েছে। গত ২৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫ টন ধান এবং ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৬ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, যা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলমান থাকবে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বের ৮৬টি দেশের মধ্যে যে ১৭টি দেশকে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে, বাংলাদেশ তার অন্যতম।
বিপরীতে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কের আওতায় পড়ায় তৈরি পোশাক ও রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও মজবুত হবে। এছাড়া আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৩ দমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।