৫২ বছর ধরে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে মালয়েশিয়া। ১৯৭৪ সাল থেকে দেশটিতে ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এবার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলতে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, এমনকি সামরিক তহবিল বন্ধের হুমকিও দিয়েছে ৮ মার্কিন আইনপ্রণেতা।
কিন্তু সেই হুমকিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বুধবার (২২ জুলাই) তিনি বলেন, এটি মালয়েশিয়ার সার্বভৌম অধিকার। ইসরায়েলি নাগরিকরা ফিলিস্তিন ও গাজায় হত্যা ও নিপীড়নে জড়িত, তাই তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যারা আছে, তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক আইন ভাঙছে এবং হামাসকে সমর্থন দিচ্ছে। তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে চিঠি দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে নীতি না বদলালে সামরিক প্রশিক্ষণ তহবিল স্থগিতের আহ্বান জানান।
জবাবে আনোয়ার বলেন, তারা হুমকি দিতে পারে, কিন্তু মালয়েশিয়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ফিলিস্তিন ইস্যুতে তারা মাথা নত করবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে নই, ইসরায়েলি নাগরিকদের অপরাধের বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, জোহরের ফরেস্ট সিটিতে ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ নামে একটি কমিউনিটিতে দ্বিতীয় পাসপোর্ট নিয়ে ইসরায়েলিরা থাকছে এমন অভিযোগের পর থেকেই এই বিতর্ক শুরু। তদন্তে ২৬৬ জন বিদেশির কাগজ বৈধ পাওয়া গেলেও ১১ জনের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে তদন্ত চলছে।