এক সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় শোক ও শোকযাত্রা শেষে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে মাশহাদে দাফন করা হচ্ছে। দেশটির পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান ইমাম রেজার মাজারে তাকে সমাহিত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি। ওই হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকেও আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

খামেনির দাফনকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ইরান ও ইরাকে ব্যাপক শোকযাত্রা, সমাবেশ ও শোকানুষ্ঠান হয়। এর মধ্যেই কয়েক সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে হাজারো মানুষ মাশহাদের রাস্তায় শেষ শোকমিছিলে অংশ নেন। তারা ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিভিন্ন বিপ্লবী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। শোকাহত জনতার একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিশোধের স্লোগান দেয়।

গত সপ্তাহে খামেনির মরদেহ ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন পবিত্র ও কৌশলগত শহরে নেওয়া হয়। ইরানের ধর্মীয় নেতারা বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে দেশটির ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থার শক্তি ও আদর্শিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের পর ইরান এখনও বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।