তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি ধারা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ বিষয়ে রায় দেবেন আপিল বিভাগ।

বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ টানা তিন দিনের শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, রিটকারীর পক্ষে ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং জামায়াতের পক্ষে শিশির মনির।

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। গত ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীর ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদসহ ৭ক, ৭খ, ৪৪(২) এবং ৪৭ ধারা বাতিল করে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনেন। তবে পুরো সংশোধনী বাতিল করা হয়নি।

হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, গণতন্ত্র সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, যা অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে বিকশিত হয়। দলীয় সরকারের অধীনে গত তিন নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি, যার পরিণতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা জনগণের অভিপ্রায়ে এসেছিল এবং মৌলিক কাঠামোর অংশ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন পাস হওয়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল, নারী আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা সহ ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিল।