সদ্য বিদায়ী মাস জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অসংখ্য অভিযোগের কারণ ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে ‘ভূতুড়ে বিল’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের কারণ জানিয়ে মিরানা মাহরুখ বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসে বিল বৃদ্ধি শুধু ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে নয়, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধিও অন্যতম কারণ। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্রাহকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চতর স্ল্যাবে চলে যাওয়ায় অনেকের বিল বেড়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে করণিক ভুল শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে এক গ্রাহকের ইউনিট ৭০ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সেটি ৭০০ ইউনিট হয়ে যায়। ফলে অস্বাভাবিক বিল আসে। এ ভুলের জন্য দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং গ্রাহকের বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ সচিব বলেন, ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।