বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিতর্কিত প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। তিনি সুপারেন্টেন্ড চলতি দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে তাকে পদোন্নতি দিয়ে সুপারেন্টেন্ড করা হয়েছে। বিতর্কিত এই প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেয়ায় বেবিচক জুড় সমালোচনা ঝড় শুরু হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ৫ কোটি টাকার বিনিময়ে তিনি এই পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেবিচকের প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। বিগত ২০২৩ সালে তিনি সুপারেন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার চলতি দায়িত্ব দেয়া হলেও শুধু অনিয়মের কারণে তার পদোন্নতি হয়নি। তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে দুদক মামলাও দিায়ের করে। মামলায় তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা সত্বেও গতবছরের ২১ থেকে ২৮ ডিসেম্বর তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন সফর করেছেন। বিষয়টি তিনি কর্তৃপক্ষকেও জানাননি।
ভ্রমণের সময় তার পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে তিনি কর্তৃপক্ষকে জানান এবং কর্তৃপক্ষের সহায়তায় গোপনে দেশে ফিরে আসেন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা সকলেই এ বিষয়ে পরবর্তীতে অবগত হয়েছেন কিন্তু এখনও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি । এমনকি প্রতি ২/৩ বছর পর পর একজন কর্মকর্তাকে বদলি করার সরকারি নিয়ম থাকা সত্ত্বেও একজন চলতি দায়িত্বের কর্মকর্তা
আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে এখন পর্যন্ত ৪ বছর ধরে একই পদে আছেন।

সম্প্রতি তাকে পদোন্নতি দেয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, বেবিচকের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে ৫ কোটি টাকার বিনিময়ে তিনি এই পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন।

তিনি প্রতি ঠিকাদার এর থেকে কমপক্ষে ৫% টাকা কমিশন আদায় করেন । ৫% টাকা বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত ওয়ার্ক অর্ডার দেন না বলে ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন । এভাবে তিনি শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন । তার মেয়েকে লন্ডনে লেখাপড়া করাচ্ছেন । সেখানের পড়াশোনার খরচ বহন করতে হয় কোটি টাকার ওপর ।

গোপনে বিদেশ সফর করার পরও ও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তো দূরের কথা তাঁকে পুরস্কৃত করে প্রমোশন দিয়েছেন । একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন মেম্বার প্রশাসন লাভলুর রহমানের আশীর্বাদ এ তিনি সকল অন্যায় দুর্নীতি করে যাচ্ছেন

এ বিষয়ে আমিনুল হাসিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।