মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী ও পাপেট শিল্পের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার। এর আগে ফুলেল শ্রদ্ধা, গার্ড অব অনার এবং তিন দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। দীর্ঘদিন নিউমোনিয়া ও বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন দেশবরেণ্য এই শিল্পী।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৮টা ৫২ মিনিটে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘর থেকে মরদেহ নেওয়া হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বাংলাদেশ টেলিভিশনে। সেখানে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলমসহ শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ১১টায় সর্বজনের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দীন স্টালিন, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, মামুনুর রশীদ, তারিক আনাম খানসহ শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকে শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট, নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউট, কর্মজীবী নারী, প্রাচ্যনাট, বটতলা নাট্যদলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন।
দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শহীদ মিনারে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এরপর তৃতীয় জানাজা শেষে বিকেলে বনানী কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।