গণস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনায় দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার ও বাজারজাত কেন নিষিদ্ধ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, শ্রম সচিব, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারি ও ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ।
আদেশের পর আইনজীবী নিশাত মাহমুদ বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ই-সিগারেটকে মাদকদ্রব্য হিসেবে গণ্য করেছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ই-সিগারেট বিক্রি বা ব্যবহারের কোনো অনুমতি নেই। তবে সরকার রাজস্ব পেতে এটিকে পণ্য হিসেবে বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ীও ই-সিগারেট ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই জনস্বাস্থ্যের হুমকি বিবেচনায় দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে রিট করেছি। ওই রিটের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।
এর আগে গত ১৭ জুন সাইফুদ্দিন আহমেদ, এ কে এম মাসুদ এবং হেলাল নামে তিন ব্যক্তি ই-সিগারেটের ব্যবহার ও বাজারজাত নিষিদ্ধ করতে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিব, শ্রম সচিব, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, আইন সচিবসহ নয়জনকে বিবাদী করা হয়।