পবিত্র হজ পালন শেষে শুক্রবার (২৬ জুন) পর্যন্ত ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৮ হাজার ২৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬৩ হাজার ৮৩৮ জন।

শনিবার (২৭ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, হাজিদের ফেরাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সৌদিয়া ৬৩টি এবং ফ্লাইনাস ২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনসভিত্তিক ফেরা হাজি: বিমান বাংলাদেশে ৩১ হাজার ৯৮১ জন, সৌদিয়ায় ২৩ হাজার ১৪৯ জন, ফ্লাইনাসে ৮ হাজার ৯৬৭ জন এবং অন্যান্য বিশেষ ফ্লাইটে ৪ হাজার ২০০ জন। বাকি হাজিরাও পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশে ফিরবেন।

চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি হাজি মারা গেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় এবার কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়নি।

হজের সময় ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ১১ জন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ ছাড়া সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৮৬ জনকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪০৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটের মাধ্যমে হজ পরিবহন শুরু হয়। ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট শেষ হয়। ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।

এ বছর বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।