ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর উজবেকিস্তানের বিপক্ষে নিজেকে ফিরে পেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।

শুরুতেই সুযোগ নষ্ট করে পর্তুগাল। ২ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের উদ্দেশ্যে বক্সে বাড়ানো বল ক্লিয়ার করে দেন উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার। ৫ মিনিটে নুনো মেন্দেসের ক্রসে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও পা লাগাতে পারেননি রোনালদো।

ষষ্ঠ মিনিটেই ঐতিহাসিক গোল করেন সিআরসেভেন। প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েন তিনি। জোয়াও কানসেলোর নিচু ক্রস থেকে কাছের পোস্টে দারুণ শটে জাল খুঁজে নেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।

১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নুনো মেন্দেস। ফ্রি কিক থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে স্কোর ২-০ করেন তিনি। ৩৮ মিনিটে ফার্নান্দেসের পাস ধরে ডান পায়ের আড়াআড়ি শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রোনালদো। বিশ্বকাপে নিজের দশম গোল করে ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে দেশের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা হন তিনি।

মাঝে উজবেকিস্তান গাভিয়েনের শটে একবার জাল কাঁপালেও বিল্ডআপে কানসেলো ফাউলের শিকার হওয়ায় ভিএআর যাচাই করে গোল বাতিল হয়।

প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পান রোনালদো। কানসেলোর ক্রসে বল পেয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করেন তিনি। তবে গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন খুশানোভ।

প্রথমার্ধ শেষে ৩-০ গোলে এগিয়ে সাবেক ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল।