দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক স্তরের ৬৭০টি নতুন স্কুল, কলেজ ও ক্যাডেট কলেজ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ৬৭০টি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি দেশের শিক্ষাখাতে বড় কর্মসূচি।

নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, পরিসংখ্যানে অংশগ্রহণ কম দেখালেও বাস্তবে গ্রামাঞ্চলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের উপস্থিতি বেশি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় ‘ফুড ফর এডুকেশন’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা শুরু হয়। পরে তা নগদ সহায়তা ও উপবৃত্তি কর্মসূচিতে রূপ নেয়।

এহছানুল হক মিলন বলেন, নারীদের জন্য উপবৃত্তি চালু হওয়ায় শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ অনেক বেড়েছে। পরে এ সুবিধা উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ধীরে ধীরে ডিগ্রি পর্যায়েও নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য এ ধরনের সহায়তা চালুর পরিকল্পনা আছে।

বাল্যবিয়ে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাল্যবিয়ে এখনো গোপনে হচ্ছে। সরকার এ বিষয়ে কঠোর। ১৮ বছরের নিচে বিয়ে হলে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে তিনি জানান, মাদরাসা শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে এটি আরও কর্মমুখী হয়।

‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এতে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীসহ শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কর্মকর্তারা অংশ নেন।